আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুদ্ধবিরতির পর স্থায়ী সমাধানে ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ওয়াশিংটনে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ থেকে এয়ার ফোর্স টু-তে ওঠার আগে ভান্স বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। আমার মনে হয়, এটি ইতিবাচক হবে।’
তিনি আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যেমনটা উল্লেখ করেছেন, ইরান যদি সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে চায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দিকে সহায়তার হাত বাড়াতে প্রস্তুত থাকবে। তবে তারা যদি প্রতারণার চেষ্টা করে, তাহলে আলোচনাকারী দল খুব বেশি ধৈর্যশীল নাও হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
তিনি দাবি করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে আলোচনার বিষয়ে সরাসরি নির্দেশনা দিয়েছেন।
এদিকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট আগেই জানিয়েছেন, শনিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া এই আলোচনায় ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ভ্যান্সের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন।
অন্যদিকে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তার সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তখত-রাভানচি উপস্থিত থাকবেন বলে পাকিস্তানি কর্মকর্তারা আশা করছেন।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত ইরান ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নেবে না বলে পাকিস্তানকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে একই ধরনের তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়, লেবাননে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা ইরানের নেই।
তবে ইসলামাবাদ এখনো ইরানি প্রতিনিধিদলের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি



